আমার সঠিক ভূ রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাণি: ইউনূস চীন পাকিস্তানের সাথে জোট বেঁধে ভারতকে কঠিন অবস্থায় ফেলে দিয়েছে

04-April-2025 by east is rising 8

29th Mar, 25

২০২৬ ডিলিমিটেশন ভারতে, হিন্দি বনাম দক্ষিণ পাঞ্জাব পঃ বঙ্গ যুদ্ধ ক্ষেত্র প্রস্তুত করতে চলেছে

চীন চারিদিক থেকে ঘিরে ফেলেছে

চীন ভারতের থেকে ৩৬শে জুলাই-এর পরে অস্ত্র চুক্তি, তিস্তা চুক্তি ও মংলা বন্দর ছিনিয়ে নিয়েছে

নেপালেও জুন ২০২৫-এ শেষ হবে ট্রান্স হিমালয় নেপাল চীন রেল-লাইন

পঃ বঙ্গ-এ ৩৫% মুসলমান, আসামে ৪৪% আর উঃ পূঃ বিহারে ৫৫%

সত্যি বলতে চীন অঙ্কের মতো করে খেলা গোটাচ্ছে

পঃ বঙ্গের উচ্চ বর্ণরা অঙ্ক বুঝে গেলেই ..................।

2nd Apr, 25
ইউনূস বুঝিয়ে দিলেন চীন-পাকিস্তান-বাংলাদেশ এক যোগে ভারত-কে কাউন্টার করবে

ইউনূস অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় চীনকে উঃ পূঃ ভারত-এর সাত রাজ্যকে নিজেদের সম্প্রসারিত অর্থনীতি বানাতে বলেছে।

ইউনূস জানতো এই কথা বললেই ভারত পালটা বিবৃতি দেবে এবং কিছু ছোট নেতা (যেমন মণিপুর ত্রিপুরা ও আসামের হিন্দু নেতা-রা) বাংলাদেশ-এর দুটো চিকেন নেক দখল করার কথা বলবে।

পাকিস্তান-এর সঙ্গে কথা বলাই ছিল ইউনূস-এর।

ভারতের ক্ষুদ্র নেতারা বাংলাদেশ দখল করার কথা বলার সঙ্গে সঙ্গেই পাকিস্তান সেনা কাশ্মীরের পুঙ্কে ঢুকে গুলি চালাল।

এদিকে আবার চীনা বিশেষজ্ঞ এক্স-হ্যান্ডলে জানালেন যে ইউনূস যেই ভারতের উঃ পূঃ-এর সাত রাজ্য-এর কথা বলেছে সেখানে দীর্ঘ সময় ধরে স্বাধীনতা সংগ্রাম চলছে।

অর্থাৎ ইউনূস এক ঢিলে ভারতকে বুঝিয়ে দিল চীন-পাকিস্তান-বাংলাদেশ এখন থেকে এক যোগে ভারত-কে কাউন্টার করবে।

হয়তো নেপাল যুক্ত হবে এই তিন দেশের সঙ্গে শীঘ্রই।

ভারত ক্রমেই চার ফ্রন্ট যুদ্ধের দিকে এগিয়ে চলেছে।

2nd Mar, 25
ইউনূস-কে প্রথমে না বলে পরে মিটিং-এ গিয়ে ভারত নিজের দুর্বলতা প্রকাশ করে ফেলল

প্রথমে মিটিং করতে অস্বীকার করেছিল মোদী ইউনূস-এর সাথে মিটিং করতে বিমস্টিক-এ।

এরপরেই ইউনূস চীনে গিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাত-বোন রাজ্যকে চীনের অর্থনীতির সম্প্রসারণ হিসেবে দেখার ইচ্ছে প্রকাশ করেন।

ইউনূস-এর মতকে ভারতের সার্বভৌমত্বে আঘাত বিবেচনা করে আসাম মণিপুর ত্রিপুরার উগ্র হিন্দুবাদী নেতারা বাংলাদেশ দখলের কথা বলার সাথে সাথেই পাকিস্তান সেনা ভারতের কাশ্মীরের পুঞ্চে ঢুকে গুলি চালায়।

ব্যাস মোদী বুঝে যায় ভারত এখন থেকে চীন-পাক-বাংলা এই ত্রিমুখী ফ্রন্ট-এর সম্মুখীন হতে চলেছে।

এর ফলেই মোদী বাধ্য হয়ে রাজি হয় ৪টা এপ্রিল ইউনূস-এর সাথে মিটিং করতে।

এর থেকে প্রমাণ হয় ভারত আসলে চীন-পাক-বাংলা ত্রিমুখী ফ্রন্টের প্রচণ্ড চাপ অনুভব করছে।

ইউনূস, চীন আর পাকিস্তান-এর সাথে মিলে যে চাপ দিচ্ছে ভারত-কে তাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেরও সবুজ সঙ্কেত থাকার সমূহ সম্ভাবনা।

ট্রাম্প চীনে যেতে চাইছে বাণিজ্য চুক্তি করার জন্যে।

হয়তো এপ্রিল বা জুন মাসেই কথা শুরু হবে।

চুক্তি-তে বিশ্ব আধিপত্য ভাগাভাগির কথাই উঠবে ঠিক কিসিঞ্জার ২০১৮ সালে যা বলেছিল।

এর কারণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য যুদ্ধ ও প্রযুক্তি যুদ্ধ ৮ বছর চলার পরেও চীনের ২০২৪-এর শেষে বাণিজ্য উদ্বৃত্ত হয়েছে ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ইভি থেকে শুরু করে এআই সর্বত্র চীন প্রযুক্তিতে অসাধারণ আধিপত্য দেখাচ্ছে।

অর্থাৎ বাণিজ্য যুদ্ধ ও প্রযুক্তি যুদ্ধ ব্যর্থ হয়েছে চীনের ক্ষতি করতে।

মার্কিন সরকার তাইই বিশ্ব ভাগাভাগিতেই যাবে চীনের সাথে।

সেখানে দক্ষিণ এশিয়া চীনের ভাবগেই পড়বে চীনের নিকটস্থ বলে।

তা জেনেই হয়তো ভারতের বিরুদ্ধে চীন-পাক-বাংলাদেশ ত্রিমুখী ফ্রন্টের কোনও বিরোধিতা করছেনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

অথবা ভারত নিজেকে বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ সর্বত্র এতটাই নিন্দিত করে ফেলেছে যে ভারতের হয়ে বলার মতো জায়গা নেই আর মার্কিন সরকারের।

যাই হোক ইউনূস-কে প্রথমে না বলে পরে মিটিং-এ গিয়ে ভারত নিজের দুর্বলতা প্রকাশ করে ফেলল।

Author: Saikat Bhattacharya


You may also like